এ মুহূর্তে কেমন বিরোধী দল চাই

kh


আমরা সাধারণত দেশ নিয়ে বা দেশের কোনো নির্দিষ্ট সময়কালের সামগ্রিক অবস্থা নিয়ে ভাবতে গেলে ক্ষমতাসীন দল বা নির্দিষ্ট কোনো সময়ের সরকার পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত দলকে আলোচনায় নিতেই অভ্যস্ত। দেশের অবস্থার উন্নয়ন বা অবনতি যাই ঘটুক না কেন সে জন্য আমরা শতভাগ দায়ী করে থাকি সরকার পরিচালনার কাজে নিয়োজিত দল বা তার নেতানেত্রীদেরই। এর বাইরে অন্য কিছু আমরা চিন্তায় নিতেও অভ্যস্ত নই। কারণ তেমন কোনো রেওয়াজের সঙ্গে আমরা পরিচিত হইনি কখনওই।

আমাদের দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তিত হয়েছে প্রায় আড়াই দশক আগে। একই সময়ে দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে আমরা ঘোষণা করেছি যে, এখানে বহুদলীয় গণতন্ত্রের অস্তিত্ব থাকবে। বস্তুত গণতন্ত্র বা সংসদীয় গণতন্ত্র প্রকৃত অর্থে আজও আমরা প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি কিনা সে প্রসঙ্গ আড়ালে রেখেও একথা নিঃসন্দেহে বলতে পারি যে, আমাদের একটি নির্বাচিত সংসদ আছে, আছে সংবিধান এবং বিপুলসংখ্যক রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব।

তদুপরি আমরা সংবিধানের বিধান অনুযায়ী প্রতি পাঁচ বছর অন্তর অন্তর দেশে সব দলের অংশগ্রহণে সাধারণ নির্বাচনের আয়োজন করে থাকি। ওই সব নির্বাচনে যে দল বা জোট সংখ্যারিষ্ঠতা অর্জন করে তার নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয় এবং তারা শান্তিপূর্ণভাবে রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী মেয়াদকাল থাকে পাঁচ বছর।

আবার ওইসব নির্বাচনে যে দল বা জোট দ্বিতীয় সর্বাধিক সংখ্যক আসন অর্জন করে সেটি সাংবিধানিকভাবেই সংসদে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ওই দল বা জোটের নির্বাচিত (তাদের সংসদীয় দলের সভায়) নেতা বা নেত্রীকে বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় এবং তদনুযায়ী তিনি এক বিশেষ মর্যাদার অধিকারী হন। তিনি হন সংসদে দ্বিতীয় প্রধান ব্যক্তি।

বিরোধী দলীয় নেতা সরকারি যানবাহন, নিরাপত্তাসহ আরও বহু বিষয়ে সুযোগ-সুবিধা লাভের অধিকারী যেমনটা পেয়ে থাকেন একজন পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী। বাড়তি সম্মান হল তার স্থান প্রধানমন্ত্রীর পরেই। কারণ তিনি হলেন Leader of the House of the opposition in the parliament.

এতগুলো কথা বলতে হল সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন বিরোধী দলীয় নেতার সাংবিধানিক মর্যাদা কত উচ্চে তা ব্যাখ্যা করার জন্য। কিন্তু এ মর্যাদার সঙ্গে সঙ্গে সংসদ ও গোটা জাতির প্রতি এ নেতার যে বিশাল দায়িত্ব রয়েছে– সামান্য হলেও তা নিয়ে আলোচনা হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

Leader of the House বা প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব সম্পর্কে আমরা কম-বেশি জানি বা অবহিত আছি। তিনি সংসদের অধিবেশন চলাকালীন জাতীয় সংসদের নেতৃত্ব দেবেন, নানা বিষয়ে বিতর্কে উত্থাপিত ইস্যুসমূহ সম্পর্কে সরকারি অবস্থান সংসদকে অবহিত করবেন এবং দেশপরিচালনার দায়িত্ব তাঁর ও তাঁর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার উপর অর্পিত থাকবে। অতিসংক্ষেপে বলতে গেলে এটুকুই। আর যেটুকু বলা অতিশয় প্রাসঙ্গিক তা হল তিনি সংসদ ও সংসদ সদস্যদের প্রতি (দলমতনির্বিশেষে) মর্যাদাপূর্ণ ও শ্রদ্ধাশীল আচরণ করবেন। বিরোধী দল সরকারে তার বস্তুনিষ্ঠ জবাব দেবেন।

এবার বিরোধী দল এবং বিরোধী দলীয় নেতার প্রসঙ্গে আসা যাক। সংসদে বিরোধী দলকে বিকল্প সরকার বলেও অনেকে অভিহিত করেন। অনেক সংসদীয় গণতন্ত্রের দেশে বিরোধী দল দ্বারা মন্ত্রিসভাও গঠন করে থাকেন এবং ওই সভার সদস্যদের নানা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও অর্পণ করা হয়। অর্থাৎ তারা নিজ নিজ দফতরের যিনি প্রকৃত মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তার সব কার্যকলাপ গভীরভাবে পর্যালোচনা করবেন, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে তার কার্যাবলীর সমালোচনা করবেন। লক্ষ্য থাকবে যাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ওইসব ভুলক্রুটি সংশোধন করে সঠিকভাবে তার মন্ত্রণালয় পরিচালনা করেন।

বিরোধী দলের আচরণ হবে অধিকতর দায়িত্বশীল। তারা নিয়মিত জাতীয় সংসদের অধিবেশনগুলোতে অংশগ্রহণ করে সরকারের ভালো কাজের প্রশংসা ও গণবিরোধী পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করে তাদের বিকল্প প্রস্তাব তুলে ধরবেন; চাপ দেবেন সরকারকে যাতে তারা ভুল পথ থেকে সরে এসে সঠিকভাবে সরকার পরিচালনা করেন। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা অভিন্ন কণ্ঠে বক্তব্য রাখবেন। বাংলাদেশের সব গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, তার ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, জাতির জনক সম্পর্কে সমমনোভাব পোষণ ও প্রচার করা জাতীয় স্বার্থেই অত্যন্ত জরুরি। কারণ এসব প্রশ্নে যে কোনো রাষ্ট্রই ভিন্নমত সহ্য করে না। ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একটি জাতি গঠনে এর তাৎপর্য অপরিসীম।

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও তার মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা বহু প্রাণ, রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত। পৃথিবীর খুব কমসংখ্যক দেশকেই এতবেশি ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে তার স্বাধীনতা সংগ্রাম সফল করার জন্য।

এ স্বাধীনতার মাধ্যমে শুধুমাত্র আমরা একটি স্বাধীন দেশই অর্জন করিনি, অর্জন করেছি কতগুলো নীতি ও সুমহান আদর্শ; যেমন গণতন্ত্র, অসাম্প্রদায়িকতা, ধর্মনিরপেক্ষতা, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র প্রভৃতি প্রতিষ্ঠায় জাতীয় অঙ্গীকার। এগুলোকে আমাদের জাতীয় জীবনের মহান ব্রত হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। লাখো মুক্তিযোদ্ধা প্রাণ দিয়েছেন ওই নীতি ও আদর্শ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে।

বাহাত্তরের সংবিধান তাই সর্বসম্মতিক্রমে ওই নীতি ও আদর্শ ধারণ করেই রচিত হয়েছিল। তাই সেখান থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার কোনো অবকাশ আমাদের নেই। মহান মুক্তিযুদ্ধ, তার নীতি ও আদর্শ যা আমাদের ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে সর্বসম্মতিক্রমে লিপিবদ্ধ ও অনুমোদিত হয়েছিল তার প্রতি সীমাহীন আনুগত্য হতে হবে উভয় পক্ষের জন্য বাধ্যতামূলক। এগুলোর বাস্তবায়নজনিত ত্রুটিবিচ্যুতি যে পক্ষ থেকেই ঘটুক না কেন তা অবশ্যই কঠোরভাবে সমালোচনার যোগ্য। সংসদ হবে তার পীঠস্থান কিন্ত একমাত্র স্থান নয়।

দুঃখজনক সত্য হল বাংলাদেশে ওই চার মূলনীতির প্রশ্নে কোনো পক্ষই আনুগত্য দেখাচ্ছেন না। ’৭৫এর ১৫ আগস্টের মর্মান্তিক হত্যালীলা-পরবর্তী ক্ষমতাবদলের মধ্য দিয়ে অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে সামরিক আইনের মাধ্যমে সংবিধান সংশধন করে তাতে ‘বিসমিল্লাহ’ ঢুকালেন; জামায়াতে ইসলামী ও অপরাপর ইসলামপন্থী দলগুলোকে সাংবিধানিক বৈধতা দিলেন।

দীর্ঘ দু-আড়াই দশক ধরে ওই বেআইনি সংশোধনী এবং তার সঙ্গে অপর সামরিক শাসক হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ কর্তৃক অপর এক সংশোধনী মারফত রাষ্ট্রপক্ষ ইসলাম প্রবর্তন করে পুনরায় যে অসাংবিধানিক ও বেআইনি কর্মকাণ্ড করলেন তা বাতিলের এবং বাহাত্তরের মূল সংবিধান অবিকৃতভাবে পুনরুদ্ধারের দাবিতে যে ঐক্যবদ্ধ গণআন্দোলন চলেছিল– আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ক্ষমতায় এসে বর্তমান সরকার তার বিপরীতে অবস্থান নিয়ে বিসমিল্লাহ, জামায়াত ও ধর্মভিত্তিক রাজনীতির বৈধকরণ ও রাষ্ট্রধর্ম পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে চালু করে কার্যত বিপরীত ভূমিকাই পালন করলেন। অবশ্য ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র প্রভৃতি শব্দগুলোও তাতে স্থান পেয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্রধর্ম ও ধর্মনিরপেক্ষতা যে পরস্পর সাংঘর্ষিক তা কে না জানে?

এহেন বৈপরীত্যের কারণ আসলে জামায়াত ও তাদের ন্যায় ধর্মভিত্তিক দলগুলোকে তুষ্ট করা এবং তার বিরোধীদেরও আশ্বস্ত করার লক্ষ্যে এক গোজামিল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে তাতে দ্বিমতের অবকাশ নেই। কিন্তু ধর্মভিত্তিক দলগুলো তা মেনে নেয়নি। তারা পুরোপুরি ইসলামীকরণ এবং ধর্মনিরপেক্ষতা তুলে দেওয়ার দাবিতে অটল। আর প্রধান বিরোধী দল ওদের সমর্থনে ভূমিকা পালন করছে তাও সবারই জানা।

এহেন পরিস্থিতিতে আজ প্রয়োজন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শ যথাস্থানে পুনস্থাপনের জন্য পুনরায় জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টির। সে লক্ষ্যে এক নবজাগরণ সৃষ্টি করে ১৯৬৯-এর মতো গণঅভ্যুত্থান ঘটানো। ওই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে কি সরকারি পক্ষ, কি বিরোধীপক্ষ, উভয়কেই মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনার জায়গায় ফিরিয়ে এনে বাহাত্তরের মূল সংবিধান অবিকৃতভাবে পুনঃস্থাপন এক অবশ্যপালনীয় জাতীয় কর্তব্য।

এ ক্ষেত্রে সরকারি দলের বিচ্যুতির বিরুদ্ধে তো সংসদের বিরোধী দলগুলোরই সর্বাধিক সোচ্চার হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তারা জিয়ার প্রতি যতটা অনুগত, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শের প্রতি তা নয় বলেই তাদের অবস্থান বিপরীত মেরুতে। ফলে এক অদ্ভুত সাংবিধানিক চেতনার এবং মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিতর্কের বাঁকে জড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। সরকারি দল জিয়াকে নয়, জিয়ার আদর্শানুযায়ী সংবিধানের সংশোধনীগুলোর প্রতি অনুগত। তেমনি স্বৈরাচারী এরশাদ কর্তৃক আনীত রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রক্ষায়ও তারা নিবেদিতপ্রাণ। ফলে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর অমর আদর্শসমূহ আজ আমাদের সংবিধান থেকে কার্যত বিতাড়িত বা বিস্মৃত। এ অবস্থা পাল্টানোর দায়িত্ব নিতে হবে নবজাগরণের চেতনাসমৃদ্ধ আজকের বিপ্লবী তরুণ সমাজকেই।

সরকারি দল যখন পঞ্চদশ সংশোধনী সংসদে পেশ করে, তখন বিরোধী দলের কর্তব্য এসে দাঁড়ায় সংসদে এবং বাইরে তার তীব্র প্রতিবাদ জানানো এবং জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এমন আন্দোলন গড়ে তোলা যাতে সরকার সে রকম সংশোধনী প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয়। ‘বিসমিল্লাহ’ যোগ, জামায়াতকে বৈধকরণ, রাষ্ট্রধর্ম প্রভৃতি সংবিধানে আদৌ স্থান না পায় সেটা দেখা। কিন্তু বিরোধী দলটি তো মুক্তিযুদ্ধের চেতনাতেই বিশ্বাসী নয়। তাই তারা বিরোধিতা তো করেইনি, সংসদে অনুপস্থিত থেকে বরং পুলকিত বোধ করেছে। ফলে জাতির ইতিহাস কলংকিত হয়েছে।

তেমনি আজকের এ বিরোধী দল যে কোনো উপায়ে ক্ষমতায় যাওয়ার লক্ষ্যে উগ্র সাম্প্রদায়িক ও জাঙ্গীবাদী দল জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়েছে, হেফাজতে ইসলামের জঙ্গীপনার প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়েছে। এগুলো তো কোনো দায়িত্বশীল দেশপ্রেমিক বিরোধী দলের কাছে আদৌ প্রত্যাশিত নয়।

পদ্মাসেতু, হলমার্ক, ডেসটিনি, ইউনিপেটু, শেয়ার বাজার প্রভৃতির মতো ভয়াবহ দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামান্য মৌখিক লোকদেখানো প্রতিবাদ ছাড়া কার্যকর কোনো আন্দোলন বিরোধী দলগুলো গড়ে তোলেনি। কারণ তারা নিজেরাই দুর্নীতিগ্রস্ত, এ ব্যাপারে তাদের নৈতিক শক্তি অনুপস্থিত।

২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ও পরে দেশব্যাপী যে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক সহিংসতা সংঘটিত হয় এবং সাম্প্রতিককালে রামু-উখিয়া-সাতক্ষীরা-চিরিরবন্দর প্রভৃতি স্থানে যেসব ঘটনা ঘটেছে সে সব অপরাধের জন্য দোষীদের শাস্তিপ্রদানের মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সরকারের লক্ষ্যণীয় অনীহার বিরুদ্ধেও বিরোধীদল টুঁ শব্দটি উচ্চারণ করছে না। এর কারণও স্পষ্ট। এগুলোর বেশিরভাগের সঙ্গেই তাদের দলীয় এবং তাদের জোট মিত্র জামায়াতে ইসলামীর ক্যাডাররা জড়িত।

ফলে দেখা যাচ্ছে জাতীয় জীবনের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতেই বিরোধী দল উপযুক্ত গণমুখী ভূমিকা নিতে ব্যর্থ। দেশের ও জনগণের জীবনে নেমে আসা দুর্ভোগের অন্যতম প্রধান কারণ এ জাতীয় বিরোধী দল প্রধান বিরোধী দল হিসেবে বিরাজ করা। মুক্তিযুদ্ধ, তার চেতনা ও আদর্শের প্রতিও তাদের অনীহা লক্ষ্যণীয়।

তাই স্পষ্টতাই বলা যায়, এমন বিরোধী দল নয়। বিরোধী দলকে হতে হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নিষ্ঠাশীল, অসাম্প্রদায়িক, ধর্মনিরপেক্ষ, বিশ্বাসী, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির বিরোধী এবং প্রকৃত অর্থে গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের এক শ্রদ্ধাশীল। বর্তমান প্রধান বিরোধী দল যে তা নয় তা আমার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতায় দেখছি।

অথচ বিরোধী দলই তো সরকারের বিকল্প। মানুষ সরকারের প্রতি বিরুপ হলে তার বিকল্প হিসেবে বিরোধী দলকে ভোট দেবে শুধুমাত্র দলবদলের জন্য নয়। তাই আজ সব প্রগতিশীল, বাম ও গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তেমনই একটি বিরোধী দল গঠনে একনিষ্ঠ হতে হবে। নইলে আগামী বিপর্যয় অবশ্যম্ভাবী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

The Weeklydesh newspaper