স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তালা-দর্শন

sahara


ঈদের আগে আমাদের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীবাসীকে একটি মূল্যবান পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন ঈদে যাঁরা বাড়ি যাবেন তাঁরা যেন বাসায় তালা লাগিয়ে যান। ভাগ্যিস তিনি সময়মতো পরামর্শটা দিয়েছিলেন, আর আমাদের পত্রিকাগুলো যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে প্রথম পাতায় তা ছেপেছিল। না হলে কী যে হতো! হয়তো অনেকেই ভুলে বা বেখেয়ালে বাসায় তালা না লাগিয়েই পরিবার-পরিজন নিয়ে ছুটতে ছুটতে বাস-ট্রেনে বা লঞ্চে গিয়ে উঠে পড়ত। যেমন হয়তো তারা ‘বিগত শাসনামলে’ করেছিল। তারপর ঈদের আনন্দ শেষে যখন ঢাকায় ফিরত কপাল চাপড়ানো ছাড়া তাদের আর কিছুই করার থাকত না। মাঝখান থেকে পত্রিকাগুলো ঈদের ছুটিতে ফাঁকা রাজধানী শহরে অনেকগুলো চুরি-ডাকাতির খবর দিয়ে তাদের পাতা ভরাবার আর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে সম্পাদকীয় ফাঁদবার সুযোগ পেয়ে যেত। তাদের সে বাড়া ভাতে এবার বুঝি সত্যিসত্যিই ছাই পড়ল।

আমাদের মিডিয়া যে সব সময় সংবাদ পরিবেশনে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয় তা নয়। আমাদের সরকারি নেতারা (যাঁরা যখন ক্ষমতায় থাকেন) তাই সুযোগ পেলেই সাংবাদিকদের এই দায়িত্বের কথাটি স্মরণ করিয়ে দিতে ভোলেন না। এবার কিন্তু সংবাদপত্রগুলো নিজ দায়িত্বেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সতর্কবাণীটি গুরুত্ব দিয়ে ছেপে একই সঙ্গে তাদের সাংবাদিক দায়িত্বশীলতা ও নাগরিক তথা দেশবাসীর প্রতি কর্তব্যবোধের পরিচয় দিয়েছেন। যদিও বিষয়টির একটি নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ারও আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ। গুজব আছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওই দিনের ওই বক্তব্যের পর ঢাকার বাজারে হঠাৎ করেই না কি তালার দাম খুব বেড়ে গেছে। শুধু বাড়েই নি, পাওয়াই যাচ্ছে না বলতে গেলে। হবে নাই বা কেন? দেশে তালার ব্যবহার যে উঠেই গিয়েছিল প্রায়। ব্যবহার না থাকা মানে তো চাহিদা না থাকা। আর চাহিদা না থাকলে সরবরাহই বা থাকবে কোত্থেকে? অর্থনীতির সাধারণ কথা। কে কবে ভেবেছিল ইদ শপিংয়ে টুপি-আতরের মতো তালাও একটা জরুরি আইটেম হয়ে উঠবে? অন্যান্যবারের মতো শুধু সেমাই বা পোলাওয়ের চাল নয়, মুরগি কি গরুর মাংশ নয়, এমন কি ঈদের পোশাকও নয়; ওসবের সঙ্গে তাল দিয়ে এ সময়টায় এভাবে তালার চাহিদা ও দাম বেড়ে যাওয়ার জন্য অনেকেই এর মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়ী করতে শুরু করেছেন। আরও এগিয়ে কেউ কেউ বলছেন, মন্ত্রী-মিনিস্টাররা তো এ রকম কত কথাই বলেন ! তাকে অত গুরুত্ব দিয়ে পত্রিকায় ছাপার দরকার কী ! এমন কি আশ্চর্য হব না যদি দেখি বরাবরের মতোই শিগগিরই এর সঙ্গে কেউ কেউ তালা ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট, নিষিদ্ধ তালা আমদানিকারক ও চোরাকারবারিদেরও একটা যোগসাজশ খুঁজতে শুরু করেছেন।

তো সন্দেহপ্রবণ লোক তো সবদেশে সবকালেই কমবেশি থাকে। আমাদের দেশে তাদের সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে। শকুনের দোয়ায় গরু হয়তো মরে না, কিন্তু এদের সন্দেহ মাঝে মাঝে সত্যি হয়ে যায়। আর আমাদের দেশে ব্যাপারটা ইদানীং একটু বেশি মাত্রায়ই ঘটছে। কিছুকাল আগে সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের পর আমাদের বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের বললেন, ‘তদন্ত চলছে, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকারীদের খুঁজে বের করা হবে।’ তখনও আমাদের এই সন্দেহবাতিকগ্রস্তদের কেউ কেউ হয়তো মনে মনে কিংবা অস্ফুটে বলেছিলেন, ‘সময়টা একটু কম হয়ে গেল না?’ সাগর-রুমির শোকার্ত স্বজনরা যেমন, তেমনি আমরা সাধারণ দেশবাসী কিন্তু সেদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায় আস্থা স্থাপন করেছিলাম। তিনি ২৪ ঘন্টা নয়, ৪৮ ঘণ্টা নয়, ৬০ ঘণ্টা নয়, এমন কি ৮০ ঘণ্টাও নয়, গুনে গুনে ঠিক ৭২ ঘন্টার কথা বললেন কেন? নিশ্চয় তিনি ভেবেচিন্তে, হিসেব করে, তখন পর্যন্ত পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েই কথাটা বলেছেন। তাঁর পদমর্যাদা ও কথার গুরুত্ব সম্পর্কেও তিনি নিশ্চয় সচেতন। এমন কি সাগর-রুনির সহকর্মী সাংবাদিকরা যাঁরা সরকার বা প্রশাসনের সামর্থ্য, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাজকর্ম ও তার নানা অন্ধিসন্ধি সম্পর্কে আমাদের চেয়ে অনেক বেশি খোঁজখবর রাখেন, তাঁরাও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায় সেদিন আশ্বস্ত বোধ করতে চেয়েছিলেন। সে ৭২ ঘণ্টা এর মধ্যে তার ষাট গুণিতক অর্থাৎ ৪৩২০ ঘণ্টা (মাসের হিসেবে ছয় মাস) পেরিয়ে গেছে। মাঝে পুলিশ প্রধানের মুখে একবার মামলার ‘প্রণিধানযোগ্য’ অগ্রগতির কথাও আমরা শুনেছিলাম মনে পড়ে। পুলিশ ও তার স্পেশাল ব্রাঞ্চ হয়ে মামলাটি শেষে এখন র‌্যাবের টেবিলে। এ-পর্যন্ত হত্যাকারী বা হত্যার মোটিভ সম্পর্কে কোনো তথ্যই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বা তাঁর লোকজন সাগর-রুনির পরিজন বা দেশবাসীকে জানাতে পারেননি। মাঝখান থেকে বিষয়টি নিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনা, গুজব, কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি হয়েছে। সাংবাদিক সমাজ তাঁদের নিহত দুই সহকর্মীর হত্যার রহস্য উদঘাটন এবং হত্যাকারীদের বিচার দাবি করে একের পর এক ডেডলাইন দিয়ে আন্দোলন করে চলেছেন। আর জিজ্ঞসিত হয়ে আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর ‘বাহত্তর ঘণ্টা’ ঘোষণার একেক রকম ব্যাখ্যা দিয়ে যাচ্ছেন। যার সরলার্থ দাঁড়ায় ও ছিল ‘স্রেফ বাত কি বাত’। কিংবা সবার সামনে বললেও কথাটা তিনি আসলে সবার জন্য বলেননি। বলেছিলেন তাঁর পুলিশ বাহিনীর উদ্দেশে, তাদেরকে চাপের মধ্যে রাখার জন্য। তাঁর চাপ বা কৌশলে কাজ হয়নি। কিন্তু তখন তিনি সেটা বুঝবেন কিভাবে? তিনি তো এর আগে কখনো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা কোনো মন্ত্রীই হননি। খুব সঙ্কটাপন্ন রোগির ক্ষেত্রে ডাক্তাররা সাধারণত বলে থাকেন, ’বাহাত্তর ঘণ্টা না কাটলে কিছুই বলা যাচ্ছে না’। মাঠের নেতা ও আমাদের বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনের স্মৃতিতে বোধহয় ওই ‘বাহাত্তর ঘন্টা’ কথাটা কোনোভাবে গেঁথে ছিল। সঙ্কটাপন্ন পরিস্থিতিতে ওই ‘বাহত্তর ঘন্টা’র ফর্মুলাটাই তিনি ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন। আর তা পজিটিভভাবে।

বোঝা যায় আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেশ পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গির মানুষ। তাই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েও সম্প্রতি তিনি দেশের বাজার পরিস্থিতি ও আইন-শৃঙ্খলার অবস্থা সম্পর্কে খুব পজিটিভ একটি চিত্র তুলে ধরেছেন। পত্রিকাগুলো যদি ভুল লিখে না থাকে তবে তিনি বলেছেন, ‘বর্তমানে দেশের কোথাও কোনো সন্ত্রাসী কার্যক্রম হচ্ছে না। চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। বাজার পরিস্থিতিও অনেক ভালো। সব মিলিয়ে দেশের অবস্থা ভালো। রাস্তাঘাটের কিছুটা দুরবস্থা ছাড়া আর কোনো সমস্যা নেই।’ এ অবস্থায় রোজ সকালে পত্রিকা খুলেই খোদ রাজধানী শহরেই মন্ত্রীর কার্যালয় ও পুলিশ সদর দপ্তরের কয়েক মাইলের মধ্যে যেসব ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও খুনের ঘটনার কথা জানা যায় (গত দেড় মাসে শুধু ঢাকা শহরেই ১৮টি খুনের ঘটনা ঘটেছে), সেগুলোকে নিশ্চয় ওসব পেশায় নিয়োজিত দুস্কৃতকারীদের রুটিন ওয়ার্ক হিসেবে আমাদের হাল্কা করে দেখা উচিত। কিংবা হতে পারে সেগুলো আসলে সরকারের সাফল্যকে ব্যর্থ কিংবা যুদ্ধপরাধীদের বিচার ভণ্ডুল করার বিরোধী দলীয় অপতৎপরতারই অংশ। আর গত একমাসে গাজিপুর-কালিয়াকৈর এলাকার রেললাইনের ধারে যে ৩৫ টি লাশ (গড়ে দিনে একটি) পাওয়া গেছে তাও মনে হয় ভূত-প্রেতেরই কাণ্ড। ভূত-প্রেতদের সঙ্গে লড়াই করা আর যারই হোক পুলিশ বাহিনী কিংবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বের আওতায় পড়ে না। লাশগুলো যখন রেললাইনের ধারেই পাওয়া গেছে তখন এ ব্যাপারে বরং রেলমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা যেতে পারে।

অনেক বিষয়েই ‘বিশ্বে প্রথম’ বা অনন্য দাবি করার একটা মজ্জাগত অভ্যাস আমাদের আছে। কেউ কেউ হয়তো বলবেন এর মূলে আছে আমাদের স্বভাবসুলভ হীনম্মন্যতা। আর আমাদের সেসব অনেক দাবীরই ভিত্তি বা যথার্থতা নিয়েও দেশ-বিদেশের সন্দেহ বাতিকগ্রস্তরা হয়তো প্রশ্ন তুলতে পারেন। কিন্তু, ইতিবাচক বা নেতিবাচক যেভাবেই দেখি না কেন, নাগরিকদের বাসায় তালা ঝোলানোর উপদেশ বিশ্বে এর আগে কখনো আর কোনো দেশের স্বরাষ্ট্র বা অন্য কোনো মন্ত্রী দিয়েছেন বলে মনে হয় না। এমনিতে বিদেশী সংবাদপত্রে আমাদের দেশের সংবাদ খুব একটা স্থান পায় না। যদি না বিরাট কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা সহিংসতা ঘটে। কিন্তু সেগুলো তো নেতিবাচক সংবাদ। দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার মতো একটি সংবাদ হলো আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাগরিকদের প্রতি এই ‘তালা ঝোলানো’র উপদেশ। দেশের মানুষকে স্বেচ্ছা দায়িত্ব পালনে উদ্বুদ্ধ করার এ রকম দৃষ্টান্ত এ যাবত আর কে কোথায় স্থাপন করতে পেরেছেন, যা অবিলম্বে ও বিনা ওজরে শতকরা একশোভাগ ক্ষেত্রে অনুসৃত হবে? সংবাদটি তো বিশ্বের সব দৈনিকেই ছোট্ট হলেও বক্স আকারে ছাপার যোগ্য। কিন্তু তারা কি তা ছাপবে? আমাদের ইতিবাচক খবরে তো তাদের আগ্রহ নেই।

দেশের কোথাও কোনো ‘সন্ত্রাশ চাঁদাবাজি বা ছিনতাইয়ের খবর না থাকা’র পরও আমাদের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগেভাগেই নগরবাসীকে সচেতন করে দিয়েছেন, দরোজায় তালা লাগিয়ে বাড়ি যেতে বলেছেন। কারণ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হলেও, ছিঁচকে চুরি ঠেকানো তো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিংবা পুলিশের কম্ম নয়, যেমন কি না মানুষের বেডরুম পাহারা দেওয়া সরকারের কাজ নয়। তাছাড়া নাগরিকরা সব ব্যাপারেই সরকার বা রাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়লে কী করে হবে? তাদেরকে তো নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব কিছুটা নিজেদেরও নিতে হবে। মার্কস তো বলেছিলেন একদিন রাষ্ট্র থাকবে না। যদিও সে অবস্থাটা আজ সুদূর পরাহত বলেই মনে হয়, তবু কে বলতে পারে!

এক সময় শোনা যেত, কারো কারো লেখায়ও পড়েছি, চীন দেশে মানুষ দরজা খোলা রেখে কাজে যায়। সেখানে চুরি-ডাকাতির কথা কেউ নাকি ভাবতেই পারে না। সত্যি সত্যি সেখানকার পরিস্থিতি এমন ছিল কি না, আজও আছে কি না, সারা দেশেই না কি পিকিং (বর্তমান বেইজিং) সহ কিছু বড় শহরেই কেবল এ অবস্থাটা বিরাজ করত, আমাদের ঠিক জানা নেই। তবে ১৯৬০ দশকের শেষভাগে ড. মুহম্মদ এনামুল হক গণচীন ভ্রমণ করে এসে একটি ছোট্ট প্রবন্ধ লিখেছিলেন ‘চীনের অভিজ্ঞতা’ নামে। তাতে তাঁর মন্তব্য : “আজকের চীনে শুধু অভাব অভিযোগ লোপ পায়নি, লোপ পেয়েছে আরও অনেক কিছু। এখানে ভিখারি নেই, চুরি নেই, ডাকাতি নেই, রাহাজানি নেই : আর রাস্তায়, হাটে-বাজারে পকেটমার নেই। … এদেশে মানুষের শত্রু মশা নেই, মাছি নেই, কুকুর নেই, কাক নেই, চিল নেই, শকুন নেই। শিয়ালও দেখিনি, বাঘেরও খবর পাইনি।” ইত্যাদি। ড. এনামুল হক আর যাই হোক কমিউনিস্ট মতাবলম্বী ছিলেন না।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় চীনের এই সাফল্যকে তিনি কমিউনিজমের কোনো অন্তর্নিহিত মাহাত্ম্য হিসেবে নয়, দেশটির সামগ্রিক শাসননীতির সুফল হিসেবেই দেখেছিলেন। তাঁর মতে চীন দেশ তার নাগরিকদের সর্বতোমুখী কল্যাণ সাধন করে তার রাষ্ট্রীয় আদর্শকে রূপ দেওয়াতেই এটা সম্ভব হয়েছে। শুধু কোনো আদর্শ বা তথাকথিত চেতনার বুলি আওড়ে আইন-শৃঙ্খলা কেন, কোনো কিছুকেই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় না। সেক্ষেত্রে নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তার দায়িত্ব তাদের নিজেদেরকেই নিতে বলা কিংবা সে নিরাপত্তা ব্যাহত হলে বড় জোর ‘আল্লাহর মাল আল্লাহ নিয়ে গেছে’ বলে সান্ত্বনা বাক্য উচ্চারণ ভিন্ন উপায় থাকে না।

হাসান শফি : লেখক ও গবেষক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

The Weeklydesh newspaper